ছাত্রদের জন্যে অনলাইনে আয় করার উপায়

ছাত্র অবস্থায় চাইলেই সব সময় গতানুগতিক অফিস টাইম মেইন্টেইন করে জব করা সম্ভব হয়ে উঠে না । পার্ট টাইম জবের বাজারও খুব একটা ভালো নয় আমাদের দেশে। তাই ছাত্রদের জন্যে অনলাইন থেকে আয় করা সবচেয়ে সহজ। এতে সময় কম লাগে আবার ইনকামটাও ভালো হয়। তবে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে প্রোসেসগুলো আগে জানতে হবে। ভালোমন্দ আগে থেকে না জেনে কাজ শুরু করলে তাতে সফলতা তো আসবেই না বরং পুরো বিষয়টার প্রতি এক প্রকার অনীহা চলে আসবে। তাই আপনাকে অবশ্যই গাইডলাইন অনুসরন করেই এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের আজকের আর্টিকেলটি মূলত সাজানো হয়েছে, কীভাবে ছাত্ররা অনলাইন থেকে আয় করবে, তা নিয়ে।

তো অনলাইন থেকে আয় করার জন্যে আপনার অবশ্যই স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটোপ এর সাথে উচ্চ গতির ইন্টারনেট থাকতে হবে। কম্পিউটার অথবা লেপটোপ ছাড়াও স্মার্টফোন দিয়ে কিছু কাজ করা যায় তবে সেটা স্ট্যাবল কিছু নয়। তাই আপনি যদি একটি স্ট্যাবল ইনকামের ব্যবস্থা করতে চান অনলাইন থেকে তবে আপনার কম্পিউটার থাকাটা অপরিহার্য্য। এখন অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রদের কাজ দেবে বলে কোর্স করিয়ে টাকা নেয় কিন্তু পরবর্তিতে আর তাদের থেকে সেরকম সার্ভিস বা কাজ কোনোটাই পাওয়া যায় না। এতে অনেকে প্রতারনার স্বীকার হয়ে অনলাইন প্লাটফর্ম কে ঘৃনা করতে শুরু করে। তবে আপনি ভালো করে খোজ নিলে অবশ্যই ভালো প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা এখনো দক্ষতার সাথে সেবা দিয়ে আসছে। তো আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই অনলাইন থেকে আয় করার উপায়গুলোতে।

গ্রাফিক ডিজাইন করে আয়

আমরা সবাই নিশ্চয়ই ফেইসবুক ইউটিউবের সাথে পরিচিতি। ফেইসবুকে আমরা বিভিন্ন ভিডিও, ছবি, ব্যানার সবচেয়ে বেশি দেখি। এ সবগুলোর সাথেই জড়িত আছে ডিজাইন। বর্তমানে ই কমার্স এর অগ্রগতির সাথে সাথে ডিজাইনের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। যারাই অনলাইনে বিজনেস করছে তাদের প্রত্যেকেরই কমপক্ষে একজন হলেও ডিজাইনার থাকে। আর যারা ডিজাইনার হিসেবে কোনো ইমপ্লোয়ি রাখে না তারাও কোনো ডিজাইনারের কাছ থেকে নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে ডিজাইন বানিয়ে নেয়। কারন বিভিন্ন রকমের সোস্যাল মিডিয়া ব্যানার/ পোস্টার ডিজাইন করা ছাড়া ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া যায় না। যেহেতু ফুল টাইম কাজ না করেও গ্রাফিক ডিজাইন করে ভালো টাকা আয় সম্ভব তাই এটি হতে পারে ছাত্রদের জন্যে আয় করার সহজ একটি উপায়। 

গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে হলে আপনার অবশ্যই কম্পিউটার বা ল্যাপটোপ থাকতে হবে। ভালো কনফিগারেশনের পিসি হলে ভালো ডিজাইন করতে পারবেন। আপনার যদি যথেষ্ট ধৈর্য থাকে তাহলেই আপনি সময় নিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখুন। অন্যথায় কিছুদিন শিখার পর আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন তাতে কাজের কাজ কিছুই হবে না । ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর গ্রাফিক ডিজাইনের দুটো প্রধান সফটওয়ার যেগুলোর মাধ্যমে আপনি প্রায় সব ধরনের ডিজাইন-ই করতে পারবেন। ফাইভার, আপওয়ার্ক এর মতো আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস  থেকে প্রচুর অর্থ আয় করা যায় গ্রাফিক ডিজাইন করে। আপনি গ্রাফিক ডিজাইনে অলরাউন্ডার হতে পারলে আপনাকে আর বেকার থাকতে হবে না, মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন । ছাত্রজীবন শেষে চাইলে ডিজাইনকে পেশা হিসেবেও নিতে পারেন।  

ইউটিউব থেকে আয়

ইউটিউব হলো সবচেয়ে বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম।  আমাদের দেশে এখন যত ইউটিউবার আছে তাদের বেশিরভাগ-ই ছাত্র অবস্থায় তাদের ইউটিউব কার্যক্রম শুরু করেছিলো। ভালো ইনকামের পাশাপাশি এটা অনেক আনন্দদায়ক পেশা। ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীল, মননশীল, ইউনিক টাইপের ভিডিও তৈরি করতে হবে। বিভিন্ন একাডেমিক পড়াশুনার ভিডিও আপ্লোড করে দ্রুত উন্নতি করা যায় ইউটিউবে যেমন টেন মিনিট স্কুল, অন্যরকম পাঠশালা, আমাদের স্কুল এরকম কয়েকটি চ্যানেল। ইউটিউব কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত রুলস মানতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন পাওয়ার পূর্বশর্ত হলো ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ঘন্টা ওয়াচটাইম থাকা। আপনার ভিডিও কন্টেন্ট যত ভালো হবে তত দ্রুত আপনার এই শর্ত পূরন হয়ে যাবে। ইউটিউবের ইনকাম একবার শুরু হলে তা চলতেই থাকবে। আপনার পড়াশুনার বাইরে যদি সময় থাকে, ভালো মানের ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারেন। অনেকে ভিউ বাড়ানোর আশায় আপত্তিকর বা বাজে কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করে কিংবা কপিরাইট রুলস ভঙ্গ করে । এটা ঠিক নয় । এতে এক সময় রুলস ভায়োলেট করার কারনে কর্তৃপক্ষ আপনার চ্যানেলটি ব্যান করে দিতে পারে।

ফেইসবুক থেকে আয়

ফেইসবুক হলো এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ফেইসবুক এক সময় শুধু যোগাযোগে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন ফেইসবুক থেকেও ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। ছাত্রদের জন্যে ফেইসবুক থেকে ইনকাম করা সহজ। ফেইসবুকে ভিডিও আপলোড করে আয় করা যায় যা অনেকটা ইউটিউবের মতো করে। আপনি চাইলে পড়াশুনার বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করতে পারেন যার জন্যে আপনার একাডেমিক পড়াশুনায় দক্ষ হতে হবে। এছাড়া ফেইসবুকে আপনি সেলিব্রিটি হতে পারলে ফ্যান পেইজের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। ফেইসবুকে নতুন করে সংযোজন হয়েছে মার্কেটপ্লেইস যার মাধ্যমে কোনো বিজ্ঞাপন খরচ ছাড়াই আপনি আপনার পণ্য বিক্রি  করে ইনকাম করতে পারেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে আয়

ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে আমি এলিট কোর্স বলব এজন্য যে এটি শিখতে আপনাকে যেমন কষ্ট করতে হবে তেমনি আপনি একজন প্রোফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হতে পারলে আপনার লাইফ পুরোটাই চেইঞ্জ হয়ে যাবে। একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করতে পারে কোনো রকম অফিশিয়াল জব করা ছাড়াই। ছাত্র অবস্থায় কষ্ট করে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারলে আপনি এই সময়েই অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন নিশ্চিতভাবেই । তবে সেজন্যে আপনাকে অবশ্যই ওয়েব ডেভেলপমেন্টে খুবই দক্ষ হতে হবে। গ্রাফিক ডিজাইন ইউটিউব থেকে মোটামুটি শিখতে পারলেও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোনো ট্রাস্টেড প্রতিষ্ঠান থেকে করা ভালো। 

ডাটা এন্ট্রি করে আয়

উপরে উল্লেখিত সব গুলো থেকে এই কাজটি সহজে করা যায়। এই কাজটি মোবাইল দিয়েও করার সুযোগ রয়েছে তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হবে। কোনো রকম জটিল কোর্স করা ছাড়াই এই কাজটি করা যায়। এই কাজটি করতে যেহেতু অক্ষর, শব্দ, বর্ণ ভালো জানতে হয় এবং দ্রুত টাইপিং এর প্রয়োজন পড়ে তাই ছাত্ররা অনায়াসে এই কাজটি করতে পারে। এই কাজ করে মাসে ৫০০০-১০০০০ টাকা বা তারও বেশি আয় করার সুযোগ রয়েছে। ছাত্র অবস্থায় সাধারনত অনেক বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না। তাই  ছাত্রদের জন্যে এই কাজটি খুবই উপযোগী। ডাটা এন্ট্রি করতে হলে আপনার স্মার্টফোন, কম্পিউটার সাথে উচ্চ গতির ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়বে। এখন সব কিছু সফট কপি করে রাখা হয় যাতে হার্ড কপি হারিয়ে গেলেও তা কোনো ওয়েবসাইটে কিংবা গুগলে থেকে যায়। এর জন্যে ডাটাগুলো কোথাও ইনপুট করে রাখার প্রয়োজন পড়ে। এত এত ডাটা এন্ট্রির কাজ থাকায় এটি সবচেয়ে বেশি এভেইলেভল। ফ্রীল্যান্সার ডট কম, ফাইবার, আপও ইয়ার্ক, ফ্লেক্সজবস, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি ওয়েবসাইটগুলো থেকে সহজেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারেন।

কন্টেন্ট রাইটিং করে আয়

আপনি যদি ভালো লেখালেখি করতে পারেন তাহলে শুধু কন্টেন্ট রাইটিং করেই আপনি মোটামুটি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কন্টেন রাইটিং করতে আপনাকে ভালো ওয়েব রিসার্চ করতে জানতে হবে। বিভিন্ন ব্লগ ওয়েবসাইটের মালিকদের সাথে সরাসরি কথা বলে কিংবা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ পেতে পারেন। বাংলায় লেখা প্রতিটা ১০০০ ওয়ার্ডের কণ্টেন্টের জন্যে ২০০-৩০০ টাকা দেয়া হয়। তবে ইংরেজির ক্ষেত্রে তা ১০০০টাকারও বেশি। আপনি বাংলা ও ইংরেজিতে ভালো লিখতে পারলে মাসে সহজেই ত্রিশ-পয়ত্রিশ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

অনলাইনে পড়িয়ে আয়

এক সময় গ্রামের ছেলেমেয়েরা এক্সপার্ট শিক্ষকদের কাছে পড়ার সুযোগ পেত না তাই অনেক পিছিয়ে থাকতো। কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যানে যেকোনো জায়গা থেকেই যেকোনো শিক্ষকের নিকট পড়া যায়। জুম, গুগল মিটের মাধ্যমে ক্লাস করা যায় খুব সহজেই। আপনি যদি পড়াশুনার পাশাপাশি টিউশনি করেন তাহলে তা অনলাইনে কন্টিনিউ করতে পারেন। করোনা আসার পর থেকে অনলাইনে পড়িয়ে ভালো টাকা ইনকাম করেছে অনেক ভার্সিটি স্টুডেন্ট ও শিক্ষকেরা। অনলাইনের পড়ানোর জন্যে আপনার একটা স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই হবে। অনলাইনে পড়াতে যেহেতু আপনার অনেক জায়গা প্রয়োজন হয় না। একসাথে অনেক স্টুডেন্ট পড়ানো যায় তাই কম সময়ে আপনি অধিক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

মাইক্রোসফট অফিস

বিভিন্ন কোম্পানি মাইক্রোসফট অফিসের কাজগুলো করার জন্যে পার্মানেন্ট ইমপ্লোয়ি না নিয়ে ফ্রীল্যান্সারদের দিয়ে কাজ গুলো করিয়ে নেয়। আর এটা স্টুডেন্টদের জন্যে অনেক বড় একটা সুযোগ । যারা মাইক্রো সফট অফিসের কাজগুলো ভালো পারে তারা চাইলে সহজেই ইনকাম করতে পারেন। আপনি একবার কোনো কোম্পানীর কাজ পেলে সেটা সঠিকভাবে করতে পারলে বার বার সেখান থেকে কাজ পাবেন। এছাড়া এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের ছোট ছোট কাজ করেও টাকা ইনকাম করা যায়।

ব্লগিং করে আয়

ব্লগ ওয়েবসাইটগুলো থেকে মাসিক একটা পেমেন্ট পাওয়া যায়। আপনাকে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং তাতে কোয়ালিটিসম্পন্ন ব্লগ লিখতে হবে। যত বেশি ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে আপনার ইনকাম ততবেশি হবে। এটি একটি পার্মানেন্ট ইনকাম। আপনি ছাত্র অবস্থায় এটি করে রাখতে পারেন যা আপনাকে পরবর্তী সময়েও সাহায্য করবে।

অনলাইনে বিজনেস করে আয়

ই কমার্সের যুগে ব্যবসা করতে এখন আর আগের মত দোকান, অফিসের প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে এসব ছাড়াই শুধু অনলাইনে আপনার ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন। ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমে পণ্য বেচাকেনা করে আয় করা যায়। বর্তমানে এমন অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে যারা মধু, ঘী, টি-শার্ট, জার্সিসহ বিভিন্ন পণ্য অনলাইনে সেইল করে ভালো টাকা উপার্জন করছে।

রিসেলিং করে আয়

রিসেলিং হলো অন্যের পণ্য বিক্রি করা । আপনার কাজ হবে প্রথমে যাদের পণ্য আপনি বিক্রি করবেন তাদের সাথে একটি চুক্তি করে নেয়া লভ্যাংশের হার নিয়ে। এরপর ওদের পণ্যের ছবি, দাম আপনার ফেইসবুক পেইজ কিংবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পোস্ট করে সেল করতে পারেন এবং তা থেকে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ প্রতি প্রোডাক্টেই আপনাকে দেয়া হবে। এরকম রিসেলিং করার জন্যে বাংলাদেশে বড় একটি প্লাটফর্ম হলো ShopUp Resller। তবে আপনি চাইলে যেকোনো ই কমার্স মালিকের সাথে আলোচনা করে রিসেলিং করতে পারেন। বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ছাত্র ছাত্রী রিসেলিং করছে । এর একটা বড় সুবিধা হলো কোনো মূলধন ছাড়াই বিজনেস করা যায়।

ভিডিও এডিটিং

ফেইসবুক, ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে আয় করার উদ্দ্যেশ্যে বর্তমানে প্রচুর ভিডিও এডিট করার প্রয়োজন পড়ে। এছাড়া ই কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনেক ভিডিও এডিট করার দরকার হয়। এজন্যে ভিডিও এডিটিং কাজ এখন অনেক এভেইলেভল। তবে সত্যিকারে দেশে এখনও যথেষ্ট পরিমানে দক্ষ ভিডিও এডিটর এর অভাব রয়েছে। সেজন্যে ভালো মানের ভিডিও এডিটরদের চাকরির বাজারে ও মার্কেটপ্লেসে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভিডিও এডিটিং এর জন্যে আপনার অবশ্যই কম্পিউটার, ইন্টারনে কানেকশন ও কিছু ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার বা টুলস এর প্রয়োজন হবে। ভিডিও এডিটিং আরেকটি সুবিধা হলো এর মাধ্যমে আপনি নিজের ইউটিউব ও ফেইসবুকে ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার

আমাদের দেশের ই কমার্স ব্যবসা মূলত সোস্যাল মিডিয়া নির্ভর । তাই ই কমার্স বিজনেস মালিকদের সোস্যাল একাউন্টগুলো নিয়ন্ত্রন করার জন্যে অনেক মডারেটর/ ম্যানেজারের প্রয়োজন হয়। এই কাজটি রিমোটলি অল্প টাকায় করানো যায় বিধায় ব্যবসায়ীরা এটি ছাত্র ছাত্রীদের দিয়ে করিয়ে নেয়। কাস্টমার ইন্টারেকশন, পোস্ট, প্রব্লেম সলবিং জাতীয় কাজগুলো সাধারনত এখানে করতে হয় যার জন্যে কয়দিন প্রশিক্ষন নিলেই হয় আলাদা করে কোনো কোর্স করার দরকার পড়ে না।

 

আমাদের আজকের আলোচনা এই পর্যন্তই। পরিশেষে একটা কথা বলব, অনলাইন থেকে আয় করা যায় এটা একেবারেই সত্যি, শুধু আয় নয় অনেক ভালো টাকা আয় করা যায়। সেজন্যে আপনাকে অবশ্যই উদ্যোমী হতে হবে। অন্যজন ইনকাম করছে তার মানে আপনিও পারবেন। শুধু ধৈর্য ধরে চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

4728dbbc5c6763f37c33f5ebb100ad9e?s=150&d=mm&r=g

Tanvir Brain

 themarketerbd@gmail.com  https://www.monsterbangla.com

We will be happy to hear your oughts

Leave a reply

Monster Bangla
Logo
Compare items
  • Total (0)
Compare
Shopping cart